
বইটি সম্পর্কে
পবিত্র কুরআন বুঝে পড়তে হলে তাফসীর বা ব্যাখ্যাগ্রন্থের সহযোগিতা গ্রহণ করা আবশ্যক। আরবি ভাষায় নাজিল হওয়া কুরআনের বিভিন্ন ভাষার তাফসীরগ্রন্থ রয়েছে। ইসলামী স্কলারগণ বলেছেন, পবিত্র কুরআন চিরন্তন মুজিজা হওয়ার প্রামাণ হলো—১৪ শত বছর ধরে পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় পবিত্র কুরআনের তাফসীরগ্রন্থ রচিত হলেও আজও এর প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে যায়নি। বাংলা ভাষাতেও এর ব্যতিক্রম নয়। বাংলা ভাষায় বহু তাফসীরগ্রন্থ রচিত ও অনূদিত হয়েছে এবং পাঠকমহলে সমাদৃত হয়েছে। বাংলা ভাষায় প্রকাশিত তাফসীরগ্রন্থের তালিকায় বয়ানুল কুরআন অন্যতম প্রসিদ্ধ ও সমাদৃত একটি তাফসীর।
বাংলা ভাষায় অনূদিত ও রচিত তাফসীরগ্রন্থের মাঝে বয়ানুল কুরআন গ্রন্থটি তাফসীরবিশারদ ও কুরআন-গবেষকদের বিশেষ পছন্দ, এ তাফসীরগ্রন্থটির বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রহ.) এ ব্যাপারে গ্রন্থটির ভূমিকায় লিখেছেন, ১. গ্রন্থটিতে কুরআন মাজিদের সহজ ও সরল তরজমা স্থান পেয়েছে। ২. বিভিন্ন শব্দের শাব্দিক অর্থ ও ব্যাখ্যা সংযোজিত হয়েছে। ৩. কুরআনের সাদৃশ্যপূর্ণ ও পারস্পরিক সাংঘর্ষিক বিষয়াবলির যথার্থ ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ যুক্ত করা হয়েছে। ৪. একই আয়াতের বিভিন্ন তাফসীরের মধ্য থেকে সবচেয়ে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ব্যাখ্যাটি সংযুক্ত করা হয়েছে। ৫. মাজহাবী মতভেদযুক্ত তাফসীরের ক্ষেত্রে শুধু হানাফী মাজহাবের মতামত উপস্থাপন করা হয়েছে। ৬. পবিত্র কুরআনের মর্ম বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে পূর্বাপর সংযোগ-সম্বন্ধের জন্য যোগসূত্র শিরোনামে আলাদা ব্যাখ্যা যুক্ত করা হয়েছে। ৭. সাধারণ মানুষের পাশাপাশি আলেম-উলামার বিশেষ উপকারিতার কথা চিন্তায় রেখে বিশেষ টীকা বাড়ানো হয়েছে যাতে সুরা ও আয়াতের মাদানী ও মক্কী হওয়ার, অপ্রসিদ্ধ লুগাত, বালাগাতশাস্ত্রীর জরুরি বিষয়, জটিল বাক্যবিন্যাস, ফিকাহ ও কালামবিষয়ক সূক্ষ্ম তত্ত্ব উদ্ঘাটন, শানে নুজুল, রেওয়ায়াত, কিরআত ও বিভিন্ন বিধানের মতভেদগত দৃষ্টিভঙ্গি সংক্ষেপে তুলে ধরা হয়েছে।
তাই বয়ানুল করআনের মাধ্যমে কুরআন-প্রেমিক ও গবেষকগণ এ তাফসীরগ্রন্থটির মাধ্যমে পূর্ণ উপকারিতা লাভ করবেন।
আপনার পছন্দ হতে পারে
সব দেখুন →

ফাতেমাতুয যাহরা গল্প ও ইতিহাস

প্রিয় নবীর দিন রাত

তারবিয়াতুস সালিক (৩খন্ড)

ছেঁড়াপাতা

তাফসীরে উসমানী

হাদীসের প্রামাণ্যতা

সমাজ সংশোধনের দিক-নির্দেশনা

সীরাতে আমিরে মুয়াবিয়া রাজি. (২ খণ্ড)
