১৯৭৮ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারির সন্ধ্যা। রাশিয়ার মস্কোয় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস থেকে গাড়ি নিয়ে বের হওয়ার সময় সিআইএ-এর মস্কো স্টেশন চিফ তার গাড়ির জানালায় একটি ঠকঠক শব্দ শুনে গাড়ি থামালেন।
রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তি তার কাছে একটি খাম এগিয়ে দিল। খামটি খুলতেই বেরিয়ে এল সিক্রেট কিছু ডকুমেন্ট। ডকুমেন্টের তথ্যগুলো দেখে স্টেশন চিফের চক্ষু চড়কগাছ। কারণ, এতে সোভিয়েত ইউনিয়নের সামরিক গবেষণা ও তাদের প্রযুক্তিগত এমন সব গোপন বিবরণ ছিল, যা তখনো যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সম্পূর্ণ অজানা।
সেই ব্যক্তিটি ছিলেন একজন রুশ প্রকৌশলী। নাম অ্যাডলফ টলকাচেভ। পরবর্তী বছরগুলোতে তিনি সোভিয়েতের সামরিক গবেষণার গোপন দুনিয়া সিআইএ-এর কাছে উন্মোচন করে দেন। তিনি তার প্রবেশাধিকার কাজে লাগিয়ে সিআইএ-এর কাছে পাচার করে দিয়েছিলেন বিমান ও রাডার প্রযুক্তির সর্বাধুনিক উন্নয়ন সম্পর্কিত হাজার হাজার পৃষ্ঠার তথ্য, যা যুক্তরাষ্ট্রকে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য প্রযুক্তিগত অগ্রগতির বিষয়ে অনেকটা এগিয়ে দিয়েছিল। টলকাচেভ ছিলেন দীর্ঘ চার দশক ধরে চলা স্নায়ুযুদ্ধের সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কাজ করা সবচেয়ে মূল্যবান গুপ্তচরদের একজন।
পুলিৎজার পুরস্কারজয়ী ইতিহাসগ্রন্থ The Dead Hand-এর লেখক ডেভিড ই. হফম্যানের এই বই উত্তেজনায় ভরপুর। বইটি ইতিহাসের এক অনন্য রচনা, যা পাঠকের মনে রোমাঞ্চের ঢেউ তুলবে-নিশ্চিত।

কিশোরতোষ সিরিজের ১০ টি বই 
