খতমে নবুওয়াতের আকিদা সেসব ঐকমত্য আকিদা; যা ইসলামের ভিত্তি এবং দীনের আবশ্যক বিষয় হিসেবে সাব্যস্ত ও চূড়ান্ত। নবুওয়াতের যুগ থেকে এ পর্যন্ত সকল মুসলমান এ কথার ওপর ঈমান ও বিশ্বাস পোষণ করে আসছেন, হুযুর সা. কোনো ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ ছাড়াই সর্বশেষ নবী।
খতমে নবুওয়াতের অর্থ নবী করীম সা.-এর পরে আর কোনো নবী নাই। এটা কুরআনের আয়াত, মুতাওয়াতির হাদীস এবং ইজমায়ে উম্মত দ্বারা প্রমাণিত। খতমে নবুওয়াত অস্বীকারকারী কাফের এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ গ্রহণযোগ্য নয়। উম্মতে মুহাম্মদীর প্রথম ইজমা হয়েছে খতমে নবুওয়াত আকীদার ওপর। এ বিষয়ে আলেম ও ফকিহগণের অভিমত—নবুওয়াতের দাবিদার হত্যাযোগ্য।
নবী করীম সা.-এর যুগ থেকে নিয়ে এপর্যন্ত প্রতিটি যুগেই ভণ্ডনবীর আবির্ভাব ঘটছে। আর স্ব-স্ব যুগের হক্কানি উলামায়ে কেরাম তাদের মিথ্যা নবুয়তের দাবি প্রতিহত করছেন। সর্বশেষ ইংরেজদের আমলে আবির্ভাব হয় ভণ্ডনবী গোলাম আহমদ কাদিয়ানির। তার মিথ্যা নবুওয়াতের দাবির খণ্ডনে অনেকেই কিতাবাদি লিখেছেন। খতমে নবুওয়াত সুপ্রমাণিত করে লিখেছেন অনেক বইপত্র এরই ধারাবাহিকতায় যুগশ্রেষ্ঠ মুফাসসির, ইদরিস কান্ধলভি রহ.-ও কুরআন-সুন্নাহর আলোকে খতমে নবুওয়াতের ওপর দলিলসমৃদ্ধ একখানা কিতাব লিখেছেন। তাতে তিনি সহজ-সরল ভাষায় খতমে নবুওয়াত ও মুহাম্মদ সা. আখেরি নবী প্রমাণিত করেছেন। রাহনুমা প্রকাশনী বাংলাভাষী পাঠকদের জন্য সেই বইয়ের অনুবাদ প্রকাশ করেছে। অনুবাদ কেমন হলো, সেটা পাঠক হাতে নিলেই বুঝতে পারবেন। ইতিপূর্বে অনুবাদকের আরেকটি অনুবাদ ‘ঈমান ও বস্তুবাদের সংঘাত’ পাঠকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।




Reviews
There are no reviews yet.